October 2026 Batch: Teenage Parenting: Understand Your Teen, Build Trust
-featured.png)
সন্তান আগে সারাদিনের গল্প শোনাত। এখন প্রশ্ন করলে উত্তর আসে এক শব্দে, ঘরের দরজা থাকে বন্ধ, আর হাতের ফোনটা যেন সবচেয়ে কাছের বন্ধু। ছোট কথাতেই রাগ, তারপর দুপক্ষেরই মন খারাপ।
আপনি একা নন। কৈশোরে এমন দূরত্ব অনেক পরিবারেই আসে। আর ভালো খবর হলো, সম্পর্কটা আবার কাছে আনা যায়, যদি জানা থাকে কীভাবে।
এই কোর্সে চাইল্ড ও অ্যাডলেসেন্ট সাইকিয়াট্রিস্ট ডা. হুমায়রা শাহজাহান হৃদি অভিভাবকদের সঙ্গে বসে শেখাবেন সেই "কীভাবে"।
এই ১২ সপ্তাহে আমরা যা নিয়ে কাজ করব
সন্তান যখন কথা বলে, তখন কীভাবে শুনবেন, তাড়াতাড়ি উপদেশ বা বিচার না করে, যাতে সে আবার আপনার কাছে মন খুলে কথা বলতে চায়।
রাগের মুহূর্তগুলো কীভাবে সামলাবেন: সন্তানের রাগ, আর সত্যি বলতে নিজেরটাও।
স্ক্রিন টাইম নিয়ে প্রতিদিনের টানাটানি কীভাবে থামাবেন, আর ঝগড়া ছাড়াই ঘরের নিয়ম ঠিক করবেন।
আর সবচেয়ে জরুরি, এমন ভরসার সম্পর্ক গড়বেন, যাতে কোনো বিপদে পড়লে সন্তান সবার আগে আপনার কাছেই আসে।
ক্লাসগুলো লেকচারের মতো নয়। থাকবে বাস্তব উদাহরণ, আর আপনার নিজের প্রশ্ন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা।
কোর্সের খুঁটিনাটি
শুরু ১৭ অক্টোবর ২০২৬, শেষ ক্লাস ২ জানুয়ারি ২০২৭
প্রতি শনিবার বিকাল ৪টা থেকে ৬টা
মোট ১২টি ক্লাস, ২৪ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ
লাইফস্প্রিং, পান্থপথ, ঢাকা (শুধু সরাসরি ক্লাস, অনলাইন নয়)
মাত্র ৩০টি আসন
ফি (পুরো ১২টি ক্লাসের জন্য, এককালীন)
একজন অভিভাবক: ৫,০০০ টাকা
বাবা ও মা একসঙ্গে: ৭,০০০ টাকা
বাবা-মা দুজন একসঙ্গে এলে সবচেয়ে ভালো হয়। তাহলে ঘরে দুজনেই একই ভাষায় সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।
প্রশিক্ষক ডা. হুমায়রা শাহজাহান হৃদি MBBS, MD (Child & Adolescent Psychiatry) চাইল্ড, অ্যাডলেসেন্ট ও ইয়াং অ্যাডাল্ট সাইকিয়াট্রিস্ট, লাইফস্প্রিং
কীভাবে যোগ দেবেন "হোয়াটসঅ্যাপে যোগ দিন" বোতামে চাপ দিয়ে আমাদের একটা মেসেজ পাঠান। একজন অভিভাবক আসবেন নাকি বাবা-মা দুজনই, সেটা জানিয়ে দিন। আমাদের টিম বাকিটা জানিয়ে দেবে।
ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ: 01796-566907
এটি অভিভাবকদের জন্য প্রশিক্ষণ কোর্স, সন্তানের ব্যক্তিগত চিকিৎসা বা থেরাপি নয়। নির্দিষ্ট কোনো সমস্যা নিয়ে কথা বলতে চাইলে আলাদা কনসাল্টেশনের ব্যবস্থা আছে।
What you'll learn
- সন্তানের কথা মন দিয়ে শুনতে, মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া বা বিচার না করে, যাতে সে নিজে থেকেই আপনার কাছে কথা বলতে আসে
- কৈশোরে সন্তানের মনে যে পরিবর্তন আসে তা বুঝে, তার আচরণের পেছনের কারণটা ধরতে
- রাগ বা তর্কের মুহূর্তে নিজেকে শান্ত রেখে পরিস্থিতি সামাল দিতে
- স্ক্রিন টাইম নিয়ে সন্তানের সঙ্গে মিলে এমন নিয়ম ঠিক করতে, যা সে মেনে চলতে রাজি
- ঘরে প্রয়োজনীয় সীমা টানতে, সম্পর্কে ফাটল না ধরিয়ে
- এমন ভরসার সম্পর্ক গড়তে, যাতে কোনো বিপদে সন্তান সবার আগে আপনার কাছেই আসে
- কখন সন্তানের জন্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য দরকার, সেই লক্ষণগুলো চিনতে
